ভকমিউনিস্ট ইস্তেহারের প্রথম ভাগের নাম "বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত"। এই ভাগে সামন্ততান্ত্রিক সমাজ থেকে পুঁজিবাদের জন্মের কাহিনী বলা হয়। মার্ক্স পুঁজিবাদের আকাশচুম্বী উৎপাদন ক্ষমতাকে যথাযথ স্বীকৃতি দেন। তবে পুঁজিবাদের ধ্বংসাত্মক ক্রিয়াকলাপ তিনি তার রচনায় উদ্ঘাটিত করেছেন। তার মতে অকল্পনীয় হারে পণ্যোৎপাদন বাড়লেও সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর হয়নি। তিনি পুঁজিবাদের অন্তর্বিরোধ এবং আর্থিক সংকটের বিশ্লেষন করেছেন। এই ইস্তেহারে ধনতন্ত্রের অন্ধকার দিক দেখিয়ে পরিবর্তে অন্য কোনো সমাজব্যবস্থার কথা বলা হয়নি। তবে বলা হয়েছে, প্রচলিত সমাজব্যবস্থার গতিশীলতা থেকেই ঘটনাক্রমে ধ্বংসাত্মক শক্তির জন্ম হবে। কমিউনিস্ট ইস্তেহার-এর ভেতর যে মূলচিন্তা প্রবহমান তা এই যে ইতিহাসের প্রতি যুগে অর্থনৈতিক উৎপাদন এবং যে সমাজ-সংগঠন তা থেকে আবশ্যিকভাবে গড়ে উঠে, তাই থাকে সেই যুগের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিগত ইতিহাসের মূলে। সুতরাং জমির আদিম যৌথ মালিকানার অবসানের পর থেকে সমগ্র ইতিহাস হয়ে এসেছে শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস। আধুনিক বুর্জোয়া সম্পত্তির অনিবার্যভাবে আসন্ন অবসানের কথা ঘোষণা করাই ছিল এই বইয়ের লক্ষ্য।
Posts
Showing posts from November, 2021
- Get link
- X
- Other Apps
১৪ই ফেব্রুয়ারি শ ক্তি প দ চার অশ্লীলতার কয়লা ঢেঁকে রঙিন এই দিন । নারীরা কিছু পেতে আজ চরিত্র করে মলিন । Handsome ছেলের some কথায় পড়ছ তুমি ফাঁদে । জ্যোৎস্না ভেবে হাঁটতে গিয়ে হোঁচোট খাবে রাতে । প্রেমের গান গাইতে যখন রক্ত উঠবে মুখে । স্বামীর কাছে এসব লুকিয়ে থাকবে কেমন সুখে ? নারী তুমি অসাধারণ হিরার চেয়েও দামী । নারী তুমি নও সস্তা পুরুষ শরীর কামি । প র জী বি শক্তিপদ চার “ নতুন মুখ ” দেখলাম কোই । ভিন্য রঙের জামাটা শুধু , দেহের উপর মানানসোই । “ মানুষের সেবা ” এখন প্রতি মুখে মুখে । ওই মানুষের টাকা মেরে থাকেন বহুত সুখে । কারো - বা লাল , কারো - বা সবুজ কারো - বা গেরুয়ার থাবা । DNA পরীক্ষা করলে পরে চোরই সবার বাবা । কেউ লেখেন জোযোনা কেউ লেখেন শ্রী । লেখা খানা পড়ার সময় দেখায় বেদম বিষ্রি । ডিজিটাল পরজীবিরা যারা পরের টাকায় বাঁচে । কড়ায় গন্ডায় হিসেব দেবে যে যার মারাংগুরুর কাছে । আ মি বু ড়ো ——————- শ...